আবুধাবি টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ। শেষ দিন বাংলাদেশের দরকার ৭ উইকেট, অন্যদিকে আফগানিস্তানের দরকার ৩৪৭ রান। ৪৭৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিন শেষে আফগানিস্তান ৩ উইকেটে ১৩২ রান করেছে।
সোমবার শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে আগের দিনের ৬ উইকেটে ২২৩ রান নিয়ে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেটে ৩৭২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। লিটন দাসের সেঞ্চুরি ও মেহেদী হাসান মিরাজের ফিফটিতে বড় সংগ্রহ পায় টাইগাররা।
লিটনের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি
একাধিকবার জীবন পাওয়ার পরও সুযোগ কাজে লাগাতে সক্ষম হন লিটন দাস। ১১৭ বলে ১০২ রান করেন তিনি। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তাঁর সপ্তম সেঞ্চুরি। এই ইনিংসের পথে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৯ হাজার রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেন বাংলাদেশের এই উইকেটকিপার-ব্যাটার।
লিটনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন মেহেদী হাসান মিরাজ। তিনি ৯৭ বলে ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন। সপ্তম উইকেটে দুজনের জুটিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ আরও সমৃদ্ধ হয়। লিটন আউট হওয়ার পর ইনিংস ঘোষণা করেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
বিজ্ঞাপন ও প্রচারের জন্য যোগাযোগ
📞 01610020939
📞 01865546067
✉️ contact.banglarvoice24@gmail.com
আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারে BanglarVoice24
চাপে আফগানিস্তান
৪৭৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় আফগানিস্তান। এবাদত হোসেনের বলে আব্দুল মালিক ২ রান করে আউট হন। টেস্ট ক্রিকেটে এটি ছিল এবাদতের ৫০তম উইকেট। পরে হাসান মাহমুদের বলে শহীদুল্লাহ কামাল ১৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন।
এরপর সেদিকুল্লাহ অটল ও রহমত শাহ তৃতীয় উইকেটে ৮২ রানের জুটি গড়ে দলকে কিছুটা সামাল দেন। রহমত শাহ ১২৪ বলে ৫১ রান করে এবাদত হোসেনের বলে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দেন। দিন শেষে অটল ৩৫ এবং হাশমতউল্লাহ শহীদি ১৯ রানে অপরাজিত ছিলেন।
উইকেটকিপিংয়ে লিটনের রেকর্ড
আফগানিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে রহমত শাহর ক্যাচ ধরার মধ্য দিয়ে এক টেস্টে বাংলাদেশের উইকেটকিপার হিসেবে সর্বোচ্চ ডিসমিসালের রেকর্ড গড়েন লিটন। প্রথম ইনিংসে চারটি ক্যাচ ও একটি স্টাম্পিংয়ের পর দ্বিতীয় ইনিংসে তিনটি ক্যাচ নেন তিনি। সব মিলিয়ে তাঁর ডিসমিসালের সংখ্যা দাঁড়ায় আটে। এর আগে ২০০৪ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খালেদ মাসুদ পাইলটের সাতটি ডিসমিসাল ছিল বাংলাদেশের রেকর্ড।
এর আগে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রান করেছিল। জবাবে আফগানিস্তানের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ২৪০ রানে। চতুর্থ দিন শেষে ম্যাচে বাংলাদেশের লিড ৪৭৮ রান।
